পোস্টগুলি

তুমি সত্যিকারের রানী হও!

প্রিয় বোন আমার! শোন! তোমাকেই বলছি! খুব করে সেজে কোথায় যাচ্ছো আজ? ও তো তোমার পথ নয়! কার জন্য সেজেছো তুমি? কার প্রতি ভালোবাসার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেবে তুমি আজ? তোমার এই রূপ দেখার অধিকার তো তার নেই! তুমি অমূল্য, তুমি নারী, তুমি এই পৃথিবীতে আল্লাহর এক অনন্য নিআমাত! কেনো তবে নিজের মর্যাদাকে হেয় করছো? কেন ফুলে ফুলে মধু পান করা মৌমাছির কাছে নিজেকে সঁপে দিচ্ছো? কেন মরীচিকাকে পানি ভেবে ছুটে যাচ্ছো তুমি? এইযে যার কাছে নিজেকে সঁপে দিতে যাচ্ছো, সে তোমার কে বলতো? তোমার উপর তার কিসের অধিকার? কোন বিশ্বাস আর অধিকার বলে তোমার অমূল্য সম্পদ তাকে দিয়ে দেবে তুমি, বলো? ভাবছো এসব বলে আমি তোমাকে আনন্দ থেকে বঞ্চিত করতে চাইছি! আমি তোমার শত্রু! না, না! তোমার সর্বস্ব লুফে নিয়ে তোমাকে নিঃস্ব করে যেদিন ছুঁড়ে ফেলে যাবে সেই অমানুষটি, সেদিন আমার কথাগুলি ঠিক মনে পড়বে দেখো! পত্রিকা খুললেই তো দেখো, তথাকথিত প্রেমের নামে কত মেয়ে ইজ্জত হারাচ্ছে! অন্তরঙ্গ মূহূর্তের নানা ভিডিও আর ছবি দিয়ে কিভাবে সেই প্রেমিক প্রবরটি ব্ল্যাকমেইল করছে? এর পেছনে তোমার ভুলগুলি কতটা দায়ী একবারও কি ভেবে দেখবেনা? বোন আমার! তুমি তো সহজলভ্য পণ্য...

স্বপ্নালু কন্যা

......এই এই, আপু, তুই আমার কবিতার খাতাটা ধরছিস কেন!! দে বলছি, প্লিজ! কাঁদো কাঁদো স্বরে বললো অবন্তী। অবন্তীর দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসতে লাগলো ওর ইমিডিয়েট বড় বোন সাওদা। - দেবো তো! আগে দেখে নেই জনাবা কবিনী কি লিখেছেন! - দেখ, আমাকে কবিনী বলবিনা! আমি কোন কবিনী নই! আমি হলাম শিক্ষানবিস! দে বলছি আমার খাতা! খপ করে বোনের হাতে ধরা খাতাটা কেঁড়ে নিতে চেষ্টা করলো অবন্তী। কিন্তু অবন্তীকে হাত বাঁড়াতে দেখেই খাতাটা ওর নাগালের বাইরে নিয়ে গেল সাওদা। কাগজ মেলে ধরে সুর করে পড়তে লাগলো সে। - “কপাল ভাসিয়া গেল দুই নয়নের জলে, এক ঠ্যাং বাঁধা ছিল আমগাছের ডালে! মাটিতে ঝুলিতেছিল আরেক ঠ্যাং, সে পথ দিয়ে যেতো যারা মারতো তাতে ল্যাং!” - আসতাগফিরুল্লাহ! এই ধরণের কবিতা তুই কোত্থেকে শিখেছিস? চোখ কপালে তুলে জিজ্ঞেস করলো সাওদা। - শিখিনি কোথাও, প্রথম লাইনটা কই যেন পড়েছিলাম, বাকিটা নিজে নিজে লিখেছি। গাল ফুলিয়ে বললো অবন্তী। - এহ! কি অনন্য কাব্য প্রতিভা! মুখ ভেঙচিয়ে পরের পৃষ্ঠা উল্টাতে উল্টাতে বললো সাওদা। পরের কবিতাটা পড়তে গিয়ে চোখ দুইটা মাথায় উঠলো তার! “আমার এ ঘর বাঁধিয়াছে যেবা আমি ভাঙি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদে যে আমার লাগি, ...

ভালোবাসার রঙধনু (৫ম পর্ব)

স্বামী স্ত্রী তো একে অপরের আয়নার মত, পোশাকের মত, কিন্তু বাস্তবে যেন অনেকেই প্রতিপক্ষরূপে সংসার করছে! এমন কি তুচ্ছ কারণে মনোমালিন্যতা অনেক সময় ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়! এই তো সেদিন মামাতো বোন রিমি খুব রাগারাগি করে বাবার বাড়ি চলে এলো। কি হয়েছে জানতে চাইতেই বললো সে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসলেই তার স্বামীর মুখ কালো হয়ে যায়। একদিন পার হতে না হতেই ঝগড়া শুরু হয়ে যায়। কেন, তাঁর ছোট বোনটাতো বাবার বাড়িতেই বেশি থাকে, তাহলে বউকে বাবার বাড়িতে দুটো দিন বেড়াতে দিতে তাঁর এত আপত্তি কেন? সব শুনে রুমাইসা বললো, - আচ্ছা, ভাইয়া তো অফিসের কাজের কারণে কখনো ১ সাপ্তাহ বাইরে থাকেন। তখন তুমি বেড়াতে আসলে কি তিনি এখন রাগারাগি করেন? - না, তখন তো করেনা! - তাহলে এরকমটা কেন হয়, তুমি একটু ভেবে দেখলেই বুঝে যেতে। - কেন হয়? - আমার মনে হয় কারণটা হলো, ভাইয়া তোমাকে খুব ভালোবাসেন। কিন্তু বলতে প্রেস্টিজে বাঁধে আরকি! সারাদিন অফিস শেষে বাসায় এসে তোমাকে না দেখলে খারাপ লাগে উনার। এ কারণেই তিনি চাননা, তিনি বাসায় থাকা অবস্থায় তুমি তাঁর থেকে দূরে কোথাও থাকো। অবশ্য উনি এটা বুঝিয়ে বললেই কিন্তু এত জটিলতা তৈরী হতোনা, বরং ভালোবাসা আ...