স্বপ্নালু কন্যা
......এই এই, আপু, তুই আমার কবিতার খাতাটা ধরছিস কেন!! দে বলছি, প্লিজ! কাঁদো কাঁদো স্বরে বললো অবন্তী। অবন্তীর দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসতে লাগলো ওর ইমিডিয়েট বড় বোন সাওদা। - দেবো তো! আগে দেখে নেই জনাবা কবিনী কি লিখেছেন! - দেখ, আমাকে কবিনী বলবিনা! আমি কোন কবিনী নই! আমি হলাম শিক্ষানবিস! দে বলছি আমার খাতা! খপ করে বোনের হাতে ধরা খাতাটা কেঁড়ে নিতে চেষ্টা করলো অবন্তী। কিন্তু অবন্তীকে হাত বাঁড়াতে দেখেই খাতাটা ওর নাগালের বাইরে নিয়ে গেল সাওদা। কাগজ মেলে ধরে সুর করে পড়তে লাগলো সে। - “কপাল ভাসিয়া গেল দুই নয়নের জলে, এক ঠ্যাং বাঁধা ছিল আমগাছের ডালে! মাটিতে ঝুলিতেছিল আরেক ঠ্যাং, সে পথ দিয়ে যেতো যারা মারতো তাতে ল্যাং!” - আসতাগফিরুল্লাহ! এই ধরণের কবিতা তুই কোত্থেকে শিখেছিস? চোখ কপালে তুলে জিজ্ঞেস করলো সাওদা। - শিখিনি কোথাও, প্রথম লাইনটা কই যেন পড়েছিলাম, বাকিটা নিজে নিজে লিখেছি। গাল ফুলিয়ে বললো অবন্তী। - এহ! কি অনন্য কাব্য প্রতিভা! মুখ ভেঙচিয়ে পরের পৃষ্ঠা উল্টাতে উল্টাতে বললো সাওদা। পরের কবিতাটা পড়তে গিয়ে চোখ দুইটা মাথায় উঠলো তার! “আমার এ ঘর বাঁধিয়াছে যেবা আমি ভাঙি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদে যে আমার লাগি, ...