স্বপ্নালু কন্যার স্বপ্ন (পর্ব-২)
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
এইসব প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে এভাবেই অবন্তীর লেখালেখির হাতেখড়ি। তারপর কেটে গেছে বছরপাঁচেক। নিয়মমত চলে, এবং মনোযোগের সাথে বই পড়ে পড়ে অনেক সময় গড়িয়েছে। অবন্তী এখন উপলব্ধি করে বইয়ের মাধ্যমে সে কি পেয়েছে। বই তার আত্মার খাদ্য জুগিয়ে চলেছে, তার জ্ঞানকে বৃদ্ধি করেছে, তার-মেধা মননকে করেছে শানিত। ভালো ভালো বই ঘুরিয়ে দিয়েছে অবন্তীর চিন্তাধারার মোড়। তার চিন্তা ভাবনাকে প্রশস্ত করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছে। অতীতের নানা অজানা ইতিহাস জানার দুয়ার উন্মুক্ত করেছে। দ্বীনী ই’লমের ময়দানে বিচরণের পাশাপাশি অন্যান্য জ্ঞান ও গবেষণামূলক বই তার জ্ঞানকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছে। লেখালেখির ময়দানে বিচরণের প্রতি আগ্রহ তৈরী করেছে। সমাজের নানা অসঙ্গতি, অপসংস্কৃতি, কুসংস্কার চিনতে সাহায্য করেছে, আর এই সমাজের নানা অসঙ্গতি বদলে দিয়ে এক আল্লাহর নির্দেশিত সমাজ গঠনের প্রত্যয় বুকে লালন করা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে শামিল করেছে। অবন্তীর মনে হয়, প্রসাধনী দিয়ে দেহ সাঁজে, আর বই দিয়ে সাঁজে আত্মা! তাই সুযোগ পেলেই অবন্তী ভালো ভালো বই কিনে তার আত্মাকে সাঁজায়!
সময় তার নিজস্ব নিয়মেই আবর্তিত হয়। সময়ের আবর্তনে অবন্তীও আর ছোট্টটি নেই, বেশ বড় হয়েছে। সাওদাও এখন বিয়ে করে সংসারী। আগের মত খোঁচাতে তেমন কেউ আসেনা। শীঘ্রই হয়তো অবন্তীকেও সংসারী হয়ে যেতে হবে! সংসার জীবন শুরু হওয়ার পরই একটা মেয়ের ব্যস্ততা শুরু হয়, সে ব্যস্ততা সহজে থামেনা। তাই অবন্তীর মনে হয়, ব্যস্ততা আসার আগেই অবসরকে যতটা সম্ভব ভালোভাবে কাজে লাগিয়ে নেয়া উচিত।
আর তাই অবন্তীর অনেকটা সময় এখন নানা সৃজনশীল কাজে ব্যয় হয়। অবন্তীর ধারণা, একজন ভালো লেখক হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে, একজন ভালো পাঠক হওয়া। একজন পাঠক যখন প্রচুর পড়াশোনা করে, তখন তার চিন্তার নানা খোরাক তৈরী হয়, মন উড়ে বেড়ায় মুক্ত বিহঙ্গের মত। আর তখন কলম আপনা থেকেই কথা বলতে চায়! কাগজের বুকে ছোঁয়া লাগাতেই ঝরে পড়ে রাশি রাশি মুক্তোর মত শব্দ!
পড়ার পাশাপাশি অবন্তীর বেশ খানিকটা সময় জুড়েই থাকে, টুকটাক লেখালেখির চেষ্টা। টুকটাক লেখালেখিতেও অবন্তী বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় অবন্তীর লেখা গল্প-কবিতাও ছাপা হয় এখন। অবন্তী বুঝতে শিখেছে, যে কোন স্বপ্ন পূরণের জন্যই ধৈর্য এবং অধ্যবসায় থাকা চাই। সেই স্বপ্ন পূরণে ধাপে ধাপে এগোনো চাই। আর সর্বোপরি আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থণা তো অবশ্যই প্রয়োজন!
চলবে.....
সময় তার নিজস্ব নিয়মেই আবর্তিত হয়। সময়ের আবর্তনে অবন্তীও আর ছোট্টটি নেই, বেশ বড় হয়েছে। সাওদাও এখন বিয়ে করে সংসারী। আগের মত খোঁচাতে তেমন কেউ আসেনা। শীঘ্রই হয়তো অবন্তীকেও সংসারী হয়ে যেতে হবে! সংসার জীবন শুরু হওয়ার পরই একটা মেয়ের ব্যস্ততা শুরু হয়, সে ব্যস্ততা সহজে থামেনা। তাই অবন্তীর মনে হয়, ব্যস্ততা আসার আগেই অবসরকে যতটা সম্ভব ভালোভাবে কাজে লাগিয়ে নেয়া উচিত।
আর তাই অবন্তীর অনেকটা সময় এখন নানা সৃজনশীল কাজে ব্যয় হয়। অবন্তীর ধারণা, একজন ভালো লেখক হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে, একজন ভালো পাঠক হওয়া। একজন পাঠক যখন প্রচুর পড়াশোনা করে, তখন তার চিন্তার নানা খোরাক তৈরী হয়, মন উড়ে বেড়ায় মুক্ত বিহঙ্গের মত। আর তখন কলম আপনা থেকেই কথা বলতে চায়! কাগজের বুকে ছোঁয়া লাগাতেই ঝরে পড়ে রাশি রাশি মুক্তোর মত শব্দ!
পড়ার পাশাপাশি অবন্তীর বেশ খানিকটা সময় জুড়েই থাকে, টুকটাক লেখালেখির চেষ্টা। টুকটাক লেখালেখিতেও অবন্তী বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় অবন্তীর লেখা গল্প-কবিতাও ছাপা হয় এখন। অবন্তী বুঝতে শিখেছে, যে কোন স্বপ্ন পূরণের জন্যই ধৈর্য এবং অধ্যবসায় থাকা চাই। সেই স্বপ্ন পূরণে ধাপে ধাপে এগোনো চাই। আর সর্বোপরি আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থণা তো অবশ্যই প্রয়োজন!
চলবে.....
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন